এশিয়া ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর তিন মাসের সাধারণ ক্ষমা পেয়েছিল কুয়েতে বসবাসরত অবৈধ প্রবাসীরা। ১৭ মার্চ শুরু হওয়া এই ক্ষমা শেষ হচ্ছে আগামী ১৭ জুন। তিন মাসে এসব প্রবাসীদের বৈধ হতে অথবা দেশ ছাড়তে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে দেশটির প্রশাসন।
সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে এবং রাস্তার পাশে বিল বোর্ডে বিভিন্ন ভাষায় দেখা মিলছে এসব প্রচারণা। রেসিডেন্সি অ্যাফেয়ার্স জেনারেল বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার ইউসেফ আল-আয়ুব জানান, সব মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নিদের্শনা দেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, কুয়েতে তিন মাসব্যাপী চলমান সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ আগামী ১৭ জুন শেষ হবে। ওই সময়ের মধ্যে যারা সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করে আকামা নবায়ন করবে না অথবা কুয়েত ত্যাগ করবে না তাদের বিরুদ্ধে কুয়েতে বসবাসের (রেসিডেন্সি) আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতারের জন্য সাড়াশি অভিযান চালানো হবে।
তিনি আরও জানান, যদি কোনও কোম্পানি বা ব্যক্তি অবৈধ প্রবাসীকে চাকরি দেয় অথবা থাকার বাসস্থান দেয় তাকে ৬ মাসের জেল অথবা ৬০০ দিনার জরিমানা করা হবে এবং অবৈধ প্রবাসীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে কুয়েতে থেকে। যেন পরবর্তীতে সে কখনও কুয়েত প্রবেশ করতে না পারে।
বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েতের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আবুল হোসেন বলেন, কুয়েত সরকার ১৭ মার্চ থেকে ১৭ জুন তিন মাসের সাধারণ ক্ষমা দিয়েছিল। এই সুযোগ গ্রহণ করতে অনেক বাংলাদেশি দূতাবাস থেকে আউট পাস নিয়েছে। যার সংখ্যা এখন পর্যন্ত চার হাজার।
তিনি বলেন, আমি মনে করি এই সুযোগ সব অবৈধ প্রবাসীদের গ্রহণ করা উচিৎ। ফলে তারা পুনরায় কুয়েত প্রবেশের সুযোগ পাবে। নয়তো কুয়েত সরকার ১৭ জুনের পর অনেক বেশি কঠোর হয়ে যাবে।
কুয়েতে বর্তমানে ৪৬ লাখ মানুষ বাস করেন। এর মধ্যে ৩২ লাখই প্রবাসী বা ভিনদেশি। তবে কতজন অবৈধ প্রবাসী আছে তা জানা যায়নি।
এনআরবি৩৬৫/এমএএম
[প্রিয় পাঠক, NRB365-এ আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ ই-মেইল করুন hellonrb365@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]