বিনোদন ডেস্ক: বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখনই সময় পান, দেশি ছবি দেখেন। জানালেন, সরকারি ফাইল দেখার ফাঁকে ফাঁকেও তিনি বাংলা ছবি দেখেন। আর কোন সিনেমাটি ভালো হবে, সেই পরামর্শ তাকে দিয়ে থাকেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা।
‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২’-এর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই জানিয়েছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব আমার কাঁধে। সব সময় নানা ফাইল দেখতে হয়। এর ফাঁকে ফাঁকে ছবি দেখি। কদিন আগেও বিমান বসে টানা দুটো ছবি দেখলাম। তবে আমার চেয়ে বেশি দেখে রেহানা। ও দেখে দেখে আমাকে বলে— এ ছবিটা ভালো, এটা দেখো। সব ছবি হয়তো টানা দেখা সম্ভব হয় না। তবে একটু একটু করে সময় বের করে পুরোটা দেখে ফেলি।
শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্রে যুক্ত প্রতিটি শিল্পী ও কলাকুশলীকে ধন্যবাদ জানান। তাদের অভিনয়ের প্রশংসাও করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা প্রত্যেকে এত ভালো অভিনয় করেছে, সত্যিই আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম।’
পুরস্কার বিতরণী শেষে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেটি উপস্থাপনা করেন ফেরদৌস ও পূর্ণিমা।
উল্লেখ্য, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২ প্রদানের জন্যে গত মার্চ মাসে ছবি আহ্বান করা হয়। গঠন করা হয় ১৩ সদস্যের জুরি বোর্ড। সেখানে জমা পড়ে ৩৭টি পূর্ণদের্ঘ্য, ১২টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ১৯টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। জুরি বোর্ডের সদস্যরা মোট ৮০টি সভা করেন।
এনআরবি৩৬৫/এএমএম